ফ্রোজেন সি-ফুড
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪৪.৩ কোটি ডলারের ফ্রোজেন ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি করেছে, এর মধ্যে চিংড়ি ২২.৫ কোটি ডলার। এর কিছুই এখনও ব্রাজিলে যায়নি। ২০২৫ সালে ব্রাজিল ১৪৪ কোটি ডলারের মাছ ও সি-ফুড আমদানি করেছে, বেশির ভাগই তাজা মাছ ও মাছের ফিলে।
মূল সংখ্যাগুলো
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের ফ্রোজেন ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি
- ৪৪.৩ কোটি ডলার
- সূত্র: Export Promotion Bureau (EPB), Bangladesh · FY2025-26 (July 2025–June 2026); published Jul 2026
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানি (HS 0306.17)
- ২২.৫ কোটি ডলার
- সূত্র: Export Promotion Bureau (EPB), Bangladesh — product-wise exports · FY2025-26 (July 2025–June 2026); published Jul 2026
- ২০২৫ সালে ব্রাজিলের মাছ ও সি-ফুড আমদানি (HS 03)
- ১৪৪ কোটি ডলার
- সূত্র: ComexStat, Brazil's official foreign-trade statistics (MDIC/Secex) — HS 03 · 2025 data; database updated 6 Oct 2026
- ফ্রোজেন আস্ত চিংড়ি, মাছের ফিলে ও ফ্রোজেন মাছে ব্রাজিলের আমদানি শুল্ক
- ৯%
- সূত্র: MDIC/Camex tariff file (TEC) and TIPI, Brazil · Tariff file dated 4 Nov 2026
সেক্টরটি বিস্তারিত
HS চ্যাপ্টার
- ০৩
- ১৬
ব্রাজিলের NCM কোড এই HS চ্যাপ্টারগুলো দিয়েই শুরু হয়। প্রতিটি পণ্যের পূর্ণ কোড কাস্টমস ব্রোকারের সাথে মিলিয়ে নিন।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের ফ্রোজেন ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি ছিল ৪৪.৩ কোটি ডলার। চিংড়ি থেকে আয় হয়েছে ২২.৫ কোটি ডলার, তাজা, চিলড ও ফ্রোজেন মাছ থেকে ৯.৪ কোটি ডলার আর ফ্রোজেন কাঁকড়া থেকে ২ কোটি ডলার।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বা ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে কোনো মাছ বা সি-ফুড ব্রাজিলে যায়নি — দুই দেশের কোনো ডেটাতেই নেই — তাই এটি নতুন করে খোলার মার্কেট। ২০২৫ সালে ব্রাজিল ১৪৪ কোটি ডলারের মাছ ও সি-ফুড আমদানি করেছে: ৭৭.৯ কোটি ডলারের তাজা ও চিলড মাছ, ৩৪ কোটি ডলারের মাছের ফিলে আর ১২.৩ কোটি ডলারের ফ্রোজেন মাছ। চিংড়ি ও কাঁকড়া-জাতীয় অন্যান্য সি-ফুড ছিল ১.৮ কোটি ডলার।
ব্রাজিলে প্রায় সব মাছ ও সি-ফুড লাইনে আমদানি শুল্ক ৯%, এর মধ্যে আছে ফ্রোজেন আস্ত চিংড়ি (IPI ০%), মাছের ফিলে ও ফ্রোজেন মাছ; প্রসেসড ও প্রিজার্ভড মাছ, চিংড়ি ও কাঁকড়া-জাতীয় সি-ফুডে ১৪.৪%।
মার্কেটে ঢোকা নির্ভর করে রেগুলেশনের ওপর। মাছ ও চিংড়ির ক্ষেত্রে সাধারণত এক্সপোর্টারের প্রসেসিং প্ল্যান্টকে ব্রাজিলের কৃষি মন্ত্রণালয়ের (MAPA) অনুমোদন নিতে হয়, আর প্যাকেটজাত প্রোডাক্টে ANVISA-র নিয়মে পর্তুগিজ লেবেল লাগে। প্রতিটি শর্ত কাস্টমস ব্রোকারের সাথে মিলিয়ে নিন।
এক্সপোতে সি-ফুড দেখানো, টেস্টিং বা বিতরণের জন্য আগে ANVISA-র অনুমোদন লাগে; আর স্যানিটারি ছাড়ের ৩০ দিনের মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে এমন প্রোডাক্ট আমদানি করা যায় না। টেস্টিংয়ের স্টক ব্রাজিলেই কিনে নেওয়া অনেক সময় সহজ।
সাও পাওলোতে অংশ নিন
২২–২৫ মার্চ ২০২৭ · সাও পাওলো, ব্রাজিল